প্রতিদিন নতুন সুযোগ, প্রতি সপ্তাহে মেগা জ্যাকপট। jbaje-তে বেট করুন এবং আপনার ভাগ্য পরীক্ষা করুন।
আজকের মেগা জ্যাকপট
প্রতি মিনিটে বাড়ছে…
jbaje-তে বিভিন্ন ধরনের জ্যাকপটে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে
প্রতিদিন রাত ১০টায় ড্র হয়। যেকোনো বেটে অংশ নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিকেট পাওয়া যায়।
অংশ নিনপ্রতি শুক্রবার রাতে বিশাল ড্র। সপ্তাহের যেকোনো বেট থেকে টিকেট জমা হয় এবং একসাথে বড় পুরস্কার পাওয়া যায়।
অংশ নিনমাসের শেষ দিনে গ্র্যান্ড ড্র। এক কোটি টাকার পুরস্কার পেতে পারেন মাত্র একটি বেট থেকে।
অংশ নিনক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচে বেট করলে বিশেষ স্পোর্টস জ্যাকপট পুলে টিকেট যোগ হয়।
অংশ নিন
বাংলাদেশে ঈদ উৎসব মানেই আনন্দ, পরিবার এবং নতুন কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা। jbaje প্রতিটি ঈদে বিশেষ জ্যাকপট আয়োজন করে, যেখানে পুরস্কারের পরিমাণ স্বাভাবিক দিনের চেয়ে দ্বিগুণ থাকে। গত ঈদুল ফিতরে বান্দরবানের একজন ব্যবহারকারী মাত্র ৩০০ টাকার বেট করে ৮৫,০০০ টাকার জ্যাকপট জিতেছিলেন।
ঈদ স্পেশাল জ্যাকপটে অংশ নিতে আলাদাভাবে কিছু করতে হয় না। ঈদের আগের সাত দিনে যেকোনো বেট করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঈদ জ্যাকপট পুলে টিকেট যোগ হয়ে যায়। bKash বা Nagad দিয়ে ডিপোজিট করলে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারীদের জন্য অতিরিক্ত একটি বোনাস টিকেটও দেওয়া হয়।
jbaje সবসময় চেষ্টা করে উৎসবের আনন্দকে আরও একটু বড় করতে। তাই শুধু ঈদ নয়, পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসেও বিশেষ জ্যাকপট আয়োজন করা হয়। এই দিনগুলোতে পুরস্কারের পরিমাণ ও বিজয়ীর সংখ্যা দুটোই বাড়ানো হয়।
ঈদের মৌসুমে jbaje অ্যাপ ব্যবহার করলে পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানা যায় জ্যাকপট ড্র ঠিক কখন হবে এবং পুরস্কার পুল কত টাকায় পৌঁছেছে। এতে কেউ কোনো ড্র মিস করেন না।
সময় শেষ হওয়ার আগেই আপনার টিকেট নিশ্চিত করুন
শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ — রাত ১০:০০ টায়
এখনই টিকেট সংগ্রহ করুনjbaje মেগা জ্যাকপটে বিভিন্ন পর্যায়ে পুরস্কার পাওয়া যায়
| পুরস্কার পর্যায় | বিজয়ীর সংখ্যা | পুরস্কারের পরিমাণ | মোট পুরস্কার |
|---|---|---|---|
| গ্র্যান্ড জ্যাকপট | ১ জন | ৳ ১,০০,০০,০০০ | ৳ ১,০০,০০,০০০ |
| প্রথম পুরস্কার | ৩ জন | ৳ ১০,০০,০০০ | ৳ ৩০,০০,০০০ |
| দ্বিতীয় পুরস্কার | ১০ জন | ৳ ২,০০,০০০ | ৳ ২০,০০,০০০ |
| তৃতীয় পুরস্কার | ৫০ জন | ৳ ৫০,০০০ | ৳ ২৫,০০,০০০ |
| সান্ত্বনা পুরস্কার | ২০০ জন | ৳ ৫,০০০ | ৳ ১০,০০,০০০ |
| ক্যাশব্যাক বোনাস | ৫০০ জন | ৳ ১,০০০ | ৳ ৫,০০,০০০ |
পুরস্কারের পরিমাণ প্রতিটি ড্রের আগে নিশ্চিত করা হয়। গ্র্যান্ড জ্যাকপটের পরিমাণ অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা অনুযায়ী বাড়তে পারে।
খুলনার রাতের বাজারে যখন ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা চলে, তখন অনেকেই জানেন না যে jbaje-তে ক্রিকেট বেট করা মানে শুধু ম্যাচ জেতার আশা নয়, একই সাথে স্পোর্টস জ্যাকপট পুলেও সুযোগ তৈরি হওয়া। প্রতিটি ক্রিকেট বেট জ্যাকপট টিকেট হিসেবে কাজ করে।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচে বেট করলে বিশেষ ডাবল টিকেট পাওয়া যায়। IPL, BPL বা ICC টুর্নামেন্টের সময় jbaje বিশেষ স্পোর্টস জ্যাকপট চালু রাখে, যেখানে পুরস্কার পুল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বড় থাকে।
রাতের বেলা লাইভ ম্যাচে বেট করা jbaje-তে বিশেষভাবে লাভজনক। কারণ লাইভ বেটে জ্যাকপট টিকেটের মূল্য দ্বিগুণ হয়ে যায়। খুলনা, চট্টগ্রাম বা যেকোনো জেলা থেকে রাতে ম্যাচ দেখতে দেখতে বেট করা আর জ্যাকপটে সুযোগ পাওয়া — এই দুটো একসাথেই হয় jbaje-তে।
অনেক ব্যবহারকারী জানান, তারা মূলত ক্রিকেট বেটিং করতে এসে জ্যাকপটের কথা জানতে পেরেছেন। এখন অনেকেই দুটোই উপভোগ করেন। ক্রিকেট বেটিং থেকে জ্যাকপট পাওয়ার ঘটনা jbaje-তে প্রায়ই ঘটে।
মাত্র কয়েকটি ধাপে জ্যাকপট পুলে আপনার জায়গা নিশ্চিত করুন
jbaje-তে বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন। মোবাইল নম্বর দিয়ে মাত্র ২ মিনিটে অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যায়।
bKash, Nagad বা Rocket দিয়ে যেকোনো পরিমাণ ডিপোজিট করুন। ন্যূনতম ১০০ টাকা থেকে শুরু করা যায়।
যেকোনো খেলায় বেট করুন। প্রতিটি বেটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্যাকপট টিকেট যোগ হয়।
অ্যাপের জ্যাকপট বিভাগে গিয়ে আপনার মোট টিকেট সংখ্যা এবং পুলে অবস্থান দেখতে পাবেন।
নির্ধারিত সময়ে লাইভ ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ীদের তালিকা সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করা হয়।
জিতলে পুরস্কারের টাকা সরাসরি আপনার jbaje ওয়ালেটে আসে। সেখান থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে তুলুন।
গাজীপুর থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশে jbaje-র ক্যাসিনো বিভাগটি দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। স্পোর্টস বেটিংয়ের পাশাপাশি ক্যাসিনো গেমেও আলাদা জ্যাকপট পুল থাকে, যেখানে প্রতিটি স্পিন বা হ্যান্ড খেলা মানেই জ্যাকপটের কাছে একধাপ এগিয়ে যাওয়া।
ক্যাসিনো জ্যাকপট স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে। স্লট মেশিনে খেলতে গেলে প্রতিটি বেটের একটি ছোট অংশ প্রোগ্রেসিভ জ্যাকপট পুলে যোগ হয়। এই পুল যত বড় হয়, পুরস্কারও তত বাড়তে থাকে। কখনো কখনো এই পুল ৫০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে রিয়েল ডিলারের সাথে খেলার সুযোগ আছে। লাইভ ব্ল্যাকজ্যাক, লাইভ বাকারাট বা লাইভ রুলেটে বড় জয় হলে বিশেষ ক্যাসিনো জ্যাকপট বোনাসও আনলক হয়। এই বোনাসগুলো নিয়মিত ক্যাসিনো খেলোয়াড়দের জন্য আলাদাভাবে ডিজাইন করা।
মোবাইলে jbaje ক্যাসিনো খেলতে কোনো সমস্যা নেই। অ্যাপে গ্রাফিক্স পুরোপুরি অপ্টিমাইজ করা, তাই মাঝারি মানের ফোনেও লাইভ ক্যাসিনো একেবারে মসৃণভাবে চলে। স্ক্রিনের আকার যাই হোক, জ্যাকপট জেতার সুযোগ সবার জন্য সমান।
নতুন যারা ক্যাসিনো বিভাগে আসেন, তাদের জন্য একটি ফ্রি-স্পিন বোনাস দেওয়া হয়। এই ফ্রি স্পিন দিয়েও জ্যাকপট জেতা সম্ভব, যদিও এটি সীমিত সময়ের জন্য। তাই দেরি না করে অ্যাকাউন্ট খুলে সুযোগ নেওয়াই ভালো।
এই সপ্তাহে jbaje জ্যাকপটে যারা বড় পুরস্কার জিতেছেন
বিজয়ীদের নাম ও এলাকা তাদের অনুমতি সাপেক্ষে প্রকাশিত। পুরস্কারের পরিমাণ যাচাইকৃত।
প্রতিটি পুল নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছালেই ড্র অনুষ্ঠিত হয়
রংপুরের বাসিন্দা শাহিনুর বেগম প্রথমে jbaje-তে এসেছিলেন ফুটবল বেটিং করতে। সপ্তাহে দুই-তিনটি বেট করতেন, তেমন বড় আশা ছিল না। কিন্তু একদিন সকালে উঠে নোটিফিকেশন দেখেন — তিনি উইকলি লাকি ড্রতে ৫০,০০০ টাকা জিতেছেন।
তিনি জানান, "আমি জানতামই না যে বেট করলে জ্যাকপটেও অংশ হয়। পরে অ্যাপে দেখলাম সব স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে গেছে। পুরস্কারটা ওই দিনই আমার ওয়ালেটে ছিল, সন্ধ্যার মধ্যে Nagad-এ তুলে নিলাম।"
এই ধরনের ঘটনা jbaje-তে নতুন নয়। প্রতি সপ্তাহে গড়ে ২৬০ জনেরও বেশি বিজয়ী তৈরি হন, যারা বিভিন্ন মাপের পুরস্কার পান। ছোট পুরস্কারও অনেকের জীবনে একটা ছোট্ট আনন্দ এনে দেয়।
jbaje-র লাকি ড্র সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়। প্রতিটি ড্রের আগে টিকেট নম্বর লক হয়ে যায় এবং ড্র শেষে বিজয়ীদের তালিকা সাথে সাথে অ্যাপে প্রকাশিত হয়। কারো পক্ষপাত নেই, সব সমান সুযোগে।
রংপুর, দিনাজপুর বা উত্তরবঙ্গের যেকোনো প্রান্ত থেকে অংশ নেওয়া যায়। শহর বা গ্রাম — jbaje সবার জন্য একই সুযোগ রাখে। ইন্টারনেট কানেকশন আর একটি স্মার্টফোন থাকলেই জ্যাকপটে নাম লেখানো যায়।
অন্যদের থেকে আলাদা যা jbaje-কে করে তোলে বিশ্বস্ত
প্রতিটি ড্র যাচাইযোগ্য পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। ফলাফল লাইভে দেখা যায় এবং ইতিহাস অ্যাপে সংরক্ষিত থাকে।
জেতার পরপরই ওয়ালেটে টাকা আসে। বিলম্ব বা ঝামেলা নেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে তোলা যায়।
jbaje অ্যাপ থেকে জ্যাকপট ট্র্যাক করুন, টিকেট দেখুন এবং ড্রের নোটিফিকেশন পান — সব একটি অ্যাপেই।
বেট করলেই টিকেট পাওয়া যায়। অতিরিক্ত কোনো ফি দিতে হয় না। জ্যাকপট অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
সারা দেশে ১০ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী প্রতিনিয়ত jbaje ব্যবহার করছেন। এই সংখ্যাই বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ।
জ্যাকপট সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে সার্বক্ষণিক কাস্টমার সাপোর্ট পাওয়া যায়। বাংলায় সাহায্য নিন।
সাধারণ জিজ্ঞাসার উত্তর এখানে পাবেন